সাতকানিয়া প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ১২ নং ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন টিপুর বিরুদ্ধে পারিবারিক সনদ ও চেয়ারম্যান সনদে সাক্ষর না করাসহ ফসলি জমির ফল-ফলাধি বিক্রি করতে না দেওয়া সহ প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি অভিযোগ ওঠেছে।
সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা-তুজ জোহরা বরাবরে করা একজন অভিযোগ সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অভিযোগ পত্র অনুযায়ী-৩নং ওয়ার্ড ধর্মপুর ইউনিয়নের মহুরি পাড়ার মৃত পুতন আলীর ছেলে মোঃ আবদুল্লাহ বলেন, গত আগস্ট মাসের ১০ তারিখে ভোটার হাল নাগাদের সময় আমার মেয়ে পারিবারিক সনদ ও চেয়ারম্যান সনদ নিতে গেলে চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন টিপু সাক্ষর না করে উল্টো আমার মেয়ে ধমক দিয়ে আমাকে পরিষদে আসতে বলে। তখন সময় মোতাবেক আমি পরিষদে উপস্থিত হতে পারিনি বলে আমার কাজের লোক গৌরাঙ্গ দাশকে ফোন করে চেয়ারম্যান হুমকি -ধমকি দিয়ে ক্ষেতের ফসলাধি বিক্রি না করার জন্য বলে।
যদি বিক্রি করি প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেন চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন টিপু।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করে মোঃ আবদুল্লাহ বলেন, বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমি সাবেক চেয়ারম্যান ইলিয়াসের কর্মী না হওয়া সত্ত্বেও বর্তমান চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন টিপু আমার বিরুদ্ধে এমন আচরণ করে আসছে।
এবিষয়ে ধর্মপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নাছির উদ্দিন টিপু বলেন, ইলিয়াসের সকল সমর্থকতো ভোটার হয়েছে এই বিষয়ে তো কেউ অভিযোগ করেনি।
আমি আসলে ভাল ভাবে আব্দুল্লাহকে চিনিনা।
আব্দুল্লাহর মেয়ে আসলেই তো আমি সাক্ষর দিব।
না আসলে কই পাব, তবে আমার যতটুকু মনে হচ্ছে আব্দুল্লাহর মেয়ে আসেনি।
সাক্ষর নিয়ে রাজনীতি করার প্রশ্নেও আসেনা।আপনি আরো তদন্ত করে দেখেন এসবে আসলে আমার কোন সম্পৃক্ততা নেই।
আর আব্দুল্লাহ এর কাজের লোককে কেন আমি ফোনে হুমকি দিতে যাব? সব মিথ্যা কথা।
আর আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সকল অপকর্মের বিরুদ্ধে সোচ্চার আছি জনগণকে সাথে নিয়ে।
অভিযোগের বিষয়ে আব্দুল্লাহ বলেন-অভিযোগে যা লেখা আছে সব সত্য।
আমার কোন ছেলে সন্তানও নেই সব মেয়ে, আমি নদীর চরে কৃষি কাজ করে খায়।
আমাকে লেডু আর চেয়ারম্যান টিপু কৃষি কাজে বাধাঁ দিয়ে পরিবারসহ উপোষ রেখে মারতে চাই।
তবে ইউনিয়নের আরেকজন লোক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন-টিপু চেয়ারম্যান ভালো লোক।
ওনি আবেদনে সই করেনি এমনটা আসলে বিশ্বাস হচ্ছেনা।