সাতকানিয়ায়-সন্ধ্যা নামতেই দুতলা ঘরের গ্রিল কেটে চুরি!

 

সাতকানিয়া প্রতিনিধি

সাতকানিয়ায় সন্ধ্যা বেলায় দুতলা ঘরের উপর তলায় কেউ না থাকার সুযোগে পার্শ্ববর্তী লাগোয়া চোরের নিজের টিনশেড ঘরের উপর দাড়িঁয়ে গ্রিল কেটে প্রতিবেশীর ঘর চুরি করে মূল্যবান জিনিষসহ স্বর্ণলংকারও টাকা পয়সা নিয়ে যাওয়া অভিযোগ ওঠেছে।

গত ১৭ই ডিসেম্বর রবিবার সন্ধ্যা ৭.৩০মিনিট নাগা উপজেলার কান্চনার মধ্যম কান্চনা শহর আলী সিকদার বাড়ি এলাকার প্রবাসী টিপুদের বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

জানাযায়-টিপুদের ২তলা বিল্ডিংয়ের সাথে লাগোয়া একমাত্র একটি সেমিপাকা টিনশেড বাড়ি রয়েছে স্থানীয় পেশাদার চোর মৃত নুর হোসেনের ছেলে আমজাদ হোসেন,আকরাম হোসেন ও ওয়াহেদদের।
আমজাদ হোসেনের বাড়ির টিনশেডের উপর দাড়িয়েই টিপুদের ২তলার জানালার গ্রিল কেটে চোর ভেতরে প্রবেশ করেন।
পরে আবার চুরিকৃত মালামালও টিনের উপর রেখে চুর বেরিয়ে চালের সাথে লাগোয়া দরজায় নিচে নেমে আসে।

টিনের চালে কেউ ওঠলে মচমচ শব্দে আতংকে হওয়ার কথা সবার! কিন্তু আমজাদ হোসেনের মায়ের দাবী তারা কিছুই জানেনা।
তবে তাদের চালেও তো কেউ ওঠার সুযোগ নেই ভেতরের দরজা দিয়ে আমজাদ হোসেনরা ওঠা ছাড়া।
আরো গভীর রহস্যের জন্ম দেয় বিল্ডিং এর চারিদিকে জানালা আছে শুধু তাদের চালের সাথে লাগোয়া জানালাটা কাটলো কেন?
অপরদিকে স্থানীয়রা জানান-আমজাদ হোসেনের আগে থেকেই বিভিন্ন বাড়িঘরে চুরি করার অভ্যাস আছে এবং চুরি মামলাও আছে।

এদিকে ছেলের চুরি করার কথা স্বীকার করে আমজাদের বয়স্ক মা বলেন আমার ছেলে একটা সময় চুরি করলেও এখন ভালো হয়ে গেছে এখন আর চুরি করেনা।
এদিকে স্থানীয়দের মত সাতকানিয়া থানা পুলিশ প্রশাসনও চুরির ধরণ দেখে নিশ্চিত হয়ে গেল প্রতিবেশী আমজাদরাই এই চুরি ঘটিয়েছে।

তাই তাদের বাড়িতে ইতিমধ্যে সাতকানিয়া থানা পুলিশ বেশ কয়েকবার রেড দিয়েছেন।

এদিকে সাতকানিয়া থানা পুলিশের এসআই আমির বলেন-চুরির ঘটনায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এই ঘটনায় আসামী গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলমান।

তবে এই অভিনব চুরির ঘটনা নারীও পুরুষ উভয়ের যৌথ সম্মতিতেই ঘটেছে।আমরা সেটাও নজরে রাখছি।

এদিকে ভুক্তভোগী টিপুর পিতা ইসলাম(৬০)বলেন আমজাদসহ তার ভাইয়েরা তাদের টিনের চালের উপর ওঠে এই ঘটনা ঘটিয়েছে,তখন আমি আমাদের লতাপীর বাজারের দোকানে ছিলাম।
পরে নিচতলা থেকে আমার পুত্রবধূ উপরতলায় ওঠে কাপড়চোঁপড় এলোমেলো দেখে চারদিকে তাকাতে তাকাতে দেখে চালের সাথে লাগোয়া জানালার গ্রিলটি কাটা তখন আমাদের খবর দিলে আমরা এসে দেখি আমাদের সর্বশান্ত করে দেয়া হয়েছে, আমরা এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিয়েছি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.