সাতকানিয়ায় পাচারকালে বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা একটি মায়া হরিণ উদ্ধার করেছে। সোমবার বিকেলে উপজেলার সোনাকানিয়ার পাহাড়ি এলাকা থেকে মায়া হরিণটি উদ্ধার করা হয়।
সাতকানিয়া মাদার্শা রেঞ্জ অফিস সূত্রে জানা যায়, বন্যপ্রানী পাচারকারীর দল একটি মায়া হরিণ ও একটি অজগর সাপ পাচার করে নিয়ে যাওয়ার গোপন সংবাদ মাদার্শা রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে পৌঁছালে রেঞ্জ কর্মকর্তা নেতৃত্বে উপজেলার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের কুতুবপাড়া পাহাড়ি এলাকায় বন বিভাগের কর্মচারীরা ওঁৎ পেতে থাকে। পাচারকারী বন বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীদের অবস্থান টের পেয়ে অবস্থা বেগতিক দেখে সাপ এবং মায়া হরিণটি ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বন বিভাগের লোকজন সাপ এবং হরিণটি উদ্ধার করে নিয়ে রেঞ্জ অফিসে নিয়ে আসেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকাল ৯টার দিকে উপজেলার বন বিভাগে নিয়োজিত এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে, সাতকানিয়ার সোনাকানিয়া ইউনিয়ন ও লোহাগাড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী পাহাড়ি এলাকায় একদল পাচারকারী হরিণ ধরার ফাঁদ বসিয়েছেন। পরে বন বিভাগের লোকজন ওই দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় পাচারকারীদের খোঁজাখুঁজি করছিলেন। এক পর্যায়ে বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে সোনাকানিয়ার কুতুবপাড়ার পাশ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় রশি দিয়ে পা বাঁধা একটি মায়া হরিণ উদ্ধার করে নিয়ে আসতে দেখা যায়।
বন বিভাগের সাতকানিয়া উপজেলার মাদার্শা রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মামুন মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বন বিভাগের লোকজনের খোঁজাখুঁজি এবং অবস্থান টের পেয়ে পাচারকারীরা মায়া হরিণ ও একটি অজগর সাপ ফেলে পালিয়ে যায়। মায়া হরিণকে আপাতত প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। অজগর সাপটি মাদার্শা রেঞ্জের বনের মধ্যে অবমুক্ত করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে হরিণটি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা শেখ রাসেল এ্যাভিয়ারি পার্কে পাঠানো হবে।