সৈয়দ আককাস উদদীন
সংস্কারতো দূরের কথা, ইমাম-মুয়াজ্জিনের বেতন দিতেই হিমশিম অবস্থা সাতকানিয়া উপজেলা মসজিদে। তবে তা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা তুজ জোহরা যোগদানের আগেকার কথা। তিনি সাতকানিয়া ছাড়ছেন, কিন্তু উপজেলা মসজিদ করে গেছেন দৃষ্টিনন্দন। রেখে যাচ্ছেন আগামী পাঁচ বছরের ফান্ড। মসজিদের আঙিনা থেকে মসজিদ সেঁজেছে তার উন্নয়নের আলপনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার এ আলপনার কথা তুলে ধরেছেন তিনি।
“সাতকানিয়া উপজেলায় যখন যোগদান করি তখন উপজেলা পরিষদ জামে মসজিদ একাউন্টে মাত্র ২,০০০/- ছিল আর ইমাম- মুয়াজ্জিনের বেতন ২ মাসের বকেয়া। মসজিদের ভেতরে- বাহিরে অবস্থা ছিল তথৈবচ। সে অবস্থা থেকে মসজিদ একাউন্টে পর্যাপ্ত আর্থিক সংস্থান আর ইমাম- মুয়াজ্জিনের বকেয়া বেতন সহ সম্মানজনক হারে বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি খুব একটা সহজ ছিল না। মসজিদ ফান্ড এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে আগামী ৫ বছরে চোখ বন্ধ করে মসজিদের যাবতীয় খরচ মেটানো যাবে। ভগ্নপ্রায় এ মসজিদের রংকরণ, পার্কিং টাইলস বসানো, বসার জায়গা তৈরি, ওযুখানা সংস্কার সহ অন্যান্য খুটিনাটি অনেক কাজ করতে হয়েছে৷ কাজ করতে গিয়ে অনেকের সহযোগিতার পাশাপাশি অসহযোগিতাও ছিল চোখে পড়ার মত। দিনশেষে মসজিদের দিকে তাকালে সব ভুলে যাই। অন্তত আমার মত করে স্বল্প বরাদ্দে কাজটা শেষ করতে পেরেছি এটাই আমার মানসিক প্রশান্তি। মহান আল্লাহর প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা আর কৃতজ্ঞতা তাদের প্রতি যারা পাশে থেকে সাহস জুগিয়েছেন।
সাতকানিয়া উপজেলায় এটাই ছিল আমার শেষ প্রজেক্ট যেটা হয়তো আমি শেষ করে না গেলে একটা মানসিক অতৃপ্তি থেকে যেত। মহান আল্লাহর প্রতি আবারো কৃতজ্ঞতা।