রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক আঙিনায় যার অবাধ বিচরণ, সামজিক পরিচিতি তাঁর সবার আগে থাকবে এটাইতো স্বাভাবিক। যাপিত জীবনে কর্মব্যস্থতার মাঝেই আমাদের প্রতিবেশি বন্ধু বান্ধব এবং সমমনা মানুষদের সাথে একটু সময় কাটানো অত্যাবশ্যকীয় কাজহগুলোর মধ্যে একটি। এখানে সামাজিকতার বিকাশ ঘটে, তৈরি হয় নতুন সম্পর্কের বীজবপন। আর এসব কিছুই সম্ভব হয়ে উঠে একটি ক্লাবের সদস্য হবার মধ্য দিয়ে। দয়াল কুমার রয়েছে মানুষের সাথে মেশার দেশি-বিদেশি অভিঙ্ঘতা। তাছাড়া বলা হয়, চ্যারিটি বেগিন্স এট হোম। তিনি জন্মের পরেই দেখেছেন তাঁর পরিবারকে সমাজের মানুষদের সাথে অকৃপণ ভাবে মিশতে সেটিও তাকে সমাজসেবক হবার জন্য অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে অহর্নিশ।
বলছিলাম ঢাকা ১৮ আসনে এমপি মনোনয়ন পেতে নিরলস কাজ করে যাওয়া জনাব দয়াল কুমার বড়ুয়ার কথা। গতকাল ৮ জুলাই উত্তরা মডের ক্লাবের এক অনাড়ম্বর মধ্যাহ্নভোজে উপস্থিত হয়ে নিজেকে মেলে ধরেন তিনি। পারিবারিক, সামাজিক, রাজনৈতিক এবং কর্ম জীবনের সিকি পরিমান পরিচয় উপস্থিত দর্শক শ্রোতাদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে। ঢাকার উত্তরা এলাকা একটি উচ্চবিত্ত ভদ্রপরিবারের সচেতন মানুষদের বসবাস। জাত, মান চিনতে এখানকার মানুষের খুব বেশি বেগ পেতে হয়না। দয়াল কুমার বড়ুয়াকে সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন ক্লাবটির বর্তমান সভাপতি জনাব মাসুদুর রহমান তপন।

সারাদিন কেমন যাবে সেটি সকালের সূর্যোদয়ই বলে দেয়। দয়াল কুমার বড়ুয়াকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত সদস্যদের অনুভূতিই সেটি প্রমান করে। জনাব দয়াল কুমার বড়ুয়ার পরিচিতি অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জনাব বেলাল, জনাব মোস্তফা সারোয়ার টিটু, এবং শাহনাজ পান্না।
ক্লাবের সদস্যদের পরিচয় জানতে পেরে জনাব দয়াল কুমার বড়ুয়া পুলকিত বোধ করেন। যে ক্লাবে এত গুণিজনের পদচারণা সে ক্লাবের সদস্য হতে পেরে তিনি খুবই আনন্দিত হয়েছেন। বিশেষ করে যখন দেখেন, সমাজের বিশিষ্টজনদের পদচারণায় ক্লাবটি অন্যান্য ক্লাবের চেয়ে একটু বেশি মানসম্পন্ন তখন তিনি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন। ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ যিনি রোটারি সদস্যদের কাছে জীবন্ত কিংবদন্তি এবং প্রবাদ পুরুষ তিনিও ক্লাবটির সদস্য। তাছাড়া অনেক ব্যাংকের উদ্ধতন কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং বিভিন্ন উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, পেশাজীবিদের যোগদান ক্লাবটিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।
বুফে লাঞ্চের পরে আনুষ্ঠানিক ভাবে জনাব দয়াল কুমার বড়ুয়া ক্লাবের নিয়ম মেনে একটি চেক হস্তান্তরের মাধ্যমে পারমানেন্ট সদস্যপদ গ্রহণ করেন। তখন পুরো পরিবেশটি মুখরিত হয়ে উঠে। দয়াল কুমার বড়ুয়া তার উপস্থিত বক্তব্যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সামনে থেকে ক্লাবটিকে বহুদূর নেয়ার পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
তারপর সামান্য চা পানের মাধ্যমে সবার কাছ থেকে বিদায় গ্রহণ করেন। বিদায় নিলেও তার সৌজন্যবোধ, শিষ্টাচার এবং অমায়িক আচরণের সুভাস ক্লাব প্রাঙনে বিরাজমান ছিল সারাটাদিন।