রাজিয়া বেগম হত্যাকান্ডের ২১দিন পর ৫জন আসামী গ্রেফতার
ফারুককে গ্রেফতার করে র্যাব, তার তথ্যে বাকিদের গ্রেফতার করেন পুলিশ
সৈয়দ আককাস উদদীন
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায় বহুল আলোচিত রাজিয়া বেগম হত্যাকান্ডের ২১দিনের ভেতর হত্যা মামলার ৬জন আসামীর মধ্যে ৫জনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় সাতকানিয়া থানা পুলিশ।
৬ই মে (সোমবার)ভোর রাতে চট্টগ্রাম নগরী এবং চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা থেকে এই ৫জন আসামীকে গ্রেফতার করেন সাতকানিয়া থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত আসামীরা হলেন, উপজেলার মাদার্শার ২নং ওয়ার্ডের রূপনগর এলাকার সাহাব মিয়া,ও সাহাব মিয়ার স্ত্রী শাহিন আক্তার, সাহাব মিয়ার কন্যা শারমিন আক্তার এবং ছেলে মঞ্জুর,এবং মামলার ১নং আসামি এওচিয়ার ঢাংগিরি পাড়ার মো:ফারুক, যিনি রূপনগর এলাকার সাহাব মিয়ার জামাতা।
জানাযায়, সাতকানিয়া উপজেলার মাদার্শার ২নং ওয়ার্ডের রূপনগর এলাকার সাহাব মিয়াদের সাথে নিহত রাজিয়া বেগমদের চলাচলের একটি ছোট পথ নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল,তারই আলোকে গত ১৬ই এপ্রিল সন্ধ্যা ৭.৩০ এর নাগাদ উভয় পক্ষের মধ্যে ঝামেলা হলে প্রতিপক্ষের দা’র কোপে গুরুতর আঘাত হন রাজিয়া বেগম, রাজিয়া বেগম চমেক এ ৪দিন চিকিৎসাবস্থায় তার মৃত্যু হলে পরে মামলাটি সাতকানিয়া থানায় হত্যা মামলায় রূপান্তরিত করা হয়।
আর ওই মামলার রেকর্ডের পর থেকে পলাতক ছিলো আসামিরা।
নিহত রাজিয়া বেগমের ভাই মাদার্শার ইউপি সদস্য আবুল হাসেম বলেন,আমার বোনের হত্যাকারীদের ধরতে সাতকানিয়া থানার এসআই আলাউদ্দিন সাহেব আমাকে যথেষ্ট সহযোগিতা করেন তার কারণেই মূলত আসামিরা আইনের হেফাজতে আসতে বাধ্য হয়েছে।
তবে ১নং আসামীকে র্যাব আগেই গ্রেফতার করেন,তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক অপরাপর আসামীদের পুলিশ হেফাজতে নেয়।
এদিকে আসামীদের গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে সাতকানিয়া থানার এসআই আলাউদ্দিন বলেন,অনেক কৌশলে এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসি স্যার এবং সার্কেল স্যারের নেতৃত্ব তাদের ধরতে আমরা সক্ষম হই।
এদিকে নিহতের মেয়ে নুরুন্নাহার নুরজাহান গ্রেফতারের বিষয়ে বলেন তাদের মায়ের মাথা দুই ভাগ হয়ে যাওয়াতেই খুলি ফেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তখন মৃত্য হয়।
এবং সাহাব মিয়ার মেয়ের জামাই মামলার ১নং আসামী ফারুকের আঘাতেই মূলত রাজিয়া বেগমের মৃত্যুর কারণ বলে এক ভিডিও বক্তব্যে তারা প্রতিবেদককে জানান।