হিলি প্রতিনিধি বাংলা ট্রিবিউন
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে একটি মাজারের বাৎসরিক ওরসে গান-বাজনা, মাদক সেবনসহ অশ্লীল কার্যক্রম চলছে অভিযোগ তুলে তা বন্ধের দাবি জানিয়ে লাঠি মিছিল করেছেন স্থানীয় জনতা ও ‘সিরাতে মুস্তাকিম’ পরিষদ নামে একটি সংগঠন।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ওরসের নামে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ তুলে আয়োজন প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন স্থানীয় জনতা। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মাজারের সামনে গেলে উত্তেজিত জনতা আগুন দিয়ে ধরিয়ে দেয়।
উপজেলার সিংড়া ইউনিয়নের বিরাহীমপুর গুচ্ছগ্রাম এলাকায় রহিম শাহ বাবা ভান্ডরীর মাজারে ওই ওরসের আয়োজন চলছে। এখানে ১৭ থেকে ১৯ ফাল্গুন (২ থেকে ৪ মার্চ) পর্যন্ত বাৎসরিক ওরস হওয়ার কথা আছে।
স্থানীয় জনতা ও সিরাতে মুস্তাকিম পরিষদ দাবি করে, ওরসের নামে বিদাত ও শিরক করা হয় ওই মাজারে। তারা তাদের পীরকে খোদা মনে করে, কথিত পীরকে সরাসরি সিজদা করেন। তারা মোমবাতি জ্বালিয়ে অগ্নি পূজার মতো করে পূজা করেন। মাজারের লোকজন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার ঢোল, তবলা ও হরেকরকম বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে গান, বাজনা ও জিকির করেন। প্রতি বছর ১৮ ফাল্গুন ওরসের নামে নারী-পুরুষ একত্রে হয়ে ভণ্ডামি ও মাদক সেবন করেন। এ ছাড়া মাজার প্রাঙ্গণে নামাজ পড়ার জন্য কোনও মসজিদ নেই। মুসলমান হয়ে কোরআন ও ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কাজ করেছেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাজারের সামনে ফাঁকা জায়গায় মঞ্চ এবং বড় একটি তোরণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্তদের জন্য ওপরে শামিয়ানা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশাল দুই তিনটি প্যান্ডেল। জোরেশোরে চলছে ওরসের প্রস্তুতি।
এ সময় কয়েকজন ভক্ত বলেন, ‘২১ বছর ধরে এই মাজারের মাহফিলে আসি; কিন্তু এবারের মতো পরিস্থিতি আর কখনও হয়নি। এখানে অন্যায় কিছু হয় না। কিন্তু অহেতুক ওরস বন্ধের দাবি করছে একটি পক্ষ।’
মাজারের খাদেম শহিদুল ইসলাম জিন্নাহ বলেন, ‘ওরস উদযাপনে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে ১৭, ১৮, ১৯ ফাল্গুন লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। এত বছর ওরস উদযাপনে কোনও বাধা আসেনি; কিন্তু এবার স্থানীয় হুজুররা এটি বন্ধ রাখতে বলছেন। মাজার ভাঙার হুমকি দিচ্ছেন। আমাদের নিরীহ পেয়ে ওরস বন্ধের পাঁয়তারা করছেন হুজুররা। এরপরও যেকোনও মূল্যে ওরস করা হবে।’
ঘোড়াঘাট থানার ওসি নাজমুল হক জানান, ওরস ঘিরে তৈরি উত্তেজনা নিরসনে দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনা চলছে। নজরদারি বৃদ্ধির সঙ্গে সর্তক অবস্থায় আছে পুলিশ। বিশৃঙ্খলা এড়াতে তিনি উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন।
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে একটি মাজারের বাৎসরিক ওরসে গান-বাজনা, মাদক সেবনসহ অশ্লীল কার্যক্রম চলছে অভিযোগ তুলে তা বন্ধের দাবি জানিয়ে লাঠি মিছিল করেছেন স্থানীয় জনতা ও ‘সিরাতে মুস্তাকিম’ পরিষদ নামে একটি সংগঠন।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ওরসের নামে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ তুলে আয়োজন প্রতিহতের ঘোষণা দিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন স্থানীয় জনতা। মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মাজারের সামনে গেলে উত্তেজিত জনতা আগুন দিয়ে ধরিয়ে দেয়।
উপজেলার সিংড়া ইউনিয়নের বিরাহীমপুর গুচ্ছগ্রাম এলাকায় রহিম শাহ বাবা ভান্ডরীর মাজারে ওই ওরসের আয়োজন চলছে। এখানে ১৭ থেকে ১৯ ফাল্গুন (২ থেকে ৪ মার্চ) পর্যন্ত বাৎসরিক ওরস হওয়ার কথা আছে।
স্থানীয় জনতা ও সিরাতে মুস্তাকিম পরিষদ দাবি করে, ওরসের নামে বিদাত ও শিরক করা হয় ওই মাজারে। তারা তাদের পীরকে খোদা মনে করে, কথিত পীরকে সরাসরি সিজদা করেন। তারা মোমবাতি জ্বালিয়ে অগ্নি পূজার মতো করে পূজা করেন। মাজারের লোকজন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার ঢোল, তবলা ও হরেকরকম বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করে গান, বাজনা ও জিকির করেন। প্রতি বছর ১৮ ফাল্গুন ওরসের নামে নারী-পুরুষ একত্রে হয়ে ভণ্ডামি ও মাদক সেবন করেন। এ ছাড়া মাজার প্রাঙ্গণে নামাজ পড়ার জন্য কোনও মসজিদ নেই। মুসলমান হয়ে কোরআন ও ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কাজ করেছেন তারা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মাজারের সামনে ফাঁকা জায়গায় মঞ্চ এবং বড় একটি তোরণ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ভক্তদের জন্য ওপরে শামিয়ানা দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিশাল দুই তিনটি প্যান্ডেল। জোরেশোরে চলছে ওরসের প্রস্তুতি।
এ সময় কয়েকজন ভক্ত বলেন, ‘২১ বছর ধরে এই মাজারের মাহফিলে আসি; কিন্তু এবারের মতো পরিস্থিতি আর কখনও হয়নি। এখানে অন্যায় কিছু হয় না। কিন্তু অহেতুক ওরস বন্ধের দাবি করছে একটি পক্ষ।’
মাজারের খাদেম শহিদুল ইসলাম জিন্নাহ বলেন, ‘ওরস উদযাপনে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে ১৭, ১৮, ১৯ ফাল্গুন লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। এত বছর ওরস উদযাপনে কোনও বাধা আসেনি; কিন্তু এবার স্থানীয় হুজুররা এটি বন্ধ রাখতে বলছেন। মাজার ভাঙার হুমকি দিচ্ছেন। আমাদের নিরীহ পেয়ে ওরস বন্ধের পাঁয়তারা করছেন হুজুররা। এরপরও যেকোনও মূল্যে ওরস করা হবে।’
ঘোড়াঘাট থানার ওসি নাজমুল হক জানান, ওরস ঘিরে তৈরি উত্তেজনা নিরসনে দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনা চলছে। নজরদারি বৃদ্ধির সঙ্গে সর্তক অবস্থায় আছে পুলিশ। বিশৃঙ্খলা এড়াতে তিনি উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেন।