লামা: ডলুছড়ি রেঞ্জ’র বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

বান্দরবানের লামা বনবিভাগ -

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম 

গত ২৫ ও ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫ দৈনিক ‘সাঙ্গু পত্রিকায়’ ফাইতংয়ের ৩০ ইটভাটায় পুড়ছে দৈনিক ২৪ হাজার মণ কাঠ শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে।

 

আমি এস.এম. হাবিবুল্লাহ রেঞ্জ কর্মকর্তা, ডলুছড়ি রেঞ্জ, লামা বন বিভাগ, লামা এই মর্মে প্রতিবাদ জানাচ্ছি যে,

 

প্রকাশিত সংবাদে ডলুছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা, হাবিব উল্লাহকে ৩০লক্ষ টাকা দিয়ে ম্যানেজ, ডি.এফ ও মোস্তাফিজুর রহমানের নামে প্রতি গাড়ি থেকে নেওয়া হচ্ছে ১০হাজার টাকা, ডলুছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা গাড়ি প্রতি ৭ হাজার টাকা, কাঠ পোড়ানোর ফলে বন উজারের পাশাপাশি জীব বৈচিত্রও ধ্বংস
হচ্ছে, ইট ভাটায় জ্বালানী ব্যবহার পাচার ও পরিবহনের অনৈতিক সুবিধা নেয়া, রেঞ্জ কর্মকর্তার বক্তব্যে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মহোদয়কে জড়ানো ইত্যাদি বিষয়ে নিম্নস্বাক্ষরকারী/প্রতিবাদকারীর নাম, ছবি প্রদর্শন সহ, ত্রুটিপূর্ণ বক্তব্য ব্যবহার করতঃ যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা মোটেও সত্য নয়।

 

ডলুছড়ি রেঞ্জে কর্মরত সকলেই যথাযথ ভবে সরকারি দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

 

তাছাড়া কাঠ পাচার রোধে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, লামা বন বিভাগ মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনা মোতাবেক অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অবৈধভাবে যেন বনজদ্রব্য পাচার না হয় এবং ইটভাটায় জ্বালানী ব্যবহার
করতে না পারে সে বিষয়ে আমরা সর্বদা সচেষ্ট আছি।

 

অবৈধভাবে কাঠ/ জ্বালানী পাচারের সাথে জড়িত অপরাধীদের সাথে বনকর্মীদের অবৈধ বা অনৈতিক কোন সম্পর্ক নেই।

নিম্নস্বাক্ষরকারী ডলুছড়ি রেঞ্জে দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে সরকারী দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করায় কোন স্বার্থান্বেষী মহলের প্ররোচনায় কিংবা নিজেদের ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের ব্যাঘাত সৃষ্টি হওয়ায় উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট হেয় প্রতিপন্ন করতে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে।

 

আমি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি,পাশাপাশি প্রকাশিত  উক্ত সংবাদে কাউকে প্রভাবিত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

এবং গণমাধ্যম দেশও জনগনের আয়না, ফলে ভবিষৎ এ যে কোন সংবাদ পরিবেশনে দায়িত্বশীল আচরণ আশা রাখছি।

 

প্রতিবাদকারী
এস.এম. হাবিবুল্লাহ
রেঞ্জ কর্মকর্তা,
ডলুছড়ি রেঞ্জ লামা বন বিভাগ

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.