সাতকানিয়ার ইতিহাসে প্রথম গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার- ৪

হরহামেশাই ঘটছে খুন ও ডাকাতি এবং চলছে চাঁদাবাজি -

 

সাতকানিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নে দুই স্কুলছাত্রীকে নির্যাতনও গণধর্ষণের  অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আরও তিনজন পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

 

বুধবার (১৩ মে) উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী বাজালিয়া এলাকার পাহাড়ি মৎস্য প্রজেক্ট সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে রাতভর অভিযান চালিয়ে পাহাড় ও সমতলের বিভিন্ন স্থান থেকে চারজনকে আটক করা হয়।

 

 

পুলিশ জানায়, দুই স্কুলছাত্রী বুধবার সকালে পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি এলাকায় ঘুরতে গেলে কয়েকজন শ্রমিক তাদের জোরপূর্বক নির্জন স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী যৌন নির্যাতনের শিকার হন বলে অভিযোগ রয়েছে। একই সময় তার সঙ্গে থাকা অষ্টম শ্রেণির আরেক ছাত্রীও শ্লীলতাহানির শিকার হন।

 

ঘটনার পর ভুক্তভোগীরা পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানালে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. ছৈয়দ (১৫), মো. রাকিব (২০), মো. মানিক ইসলাম (২০) ও আব্দুর রহিম (১৮)। তারা সবাই উপজেলার ছদাহা ইউনিয়নের সিন্দুপ্যা পাড়া এলাকার বাসিন্দা।

 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাতকানিয়া সার্কেল) মো. আরিফুল ইসলাম সিদ্দিকী জানান, খবর পাওয়ার পর তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের পুলিশ হেফাজতে নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। পলাতক অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

 

এদিকে অনুসন্ধানে জানা যায়, সোনাকানিয়া ও কেরানী হাট এবং এওচিয়ায় ২টিসহ  মোট ঘটেছে ৫টি  হত্যাকান্ড। অল্পদিনের ব্যবধানের কেরানী হাট  ইটভাটা সংলগ্ন এলাকা থেকে  ২টি লাশ উদ্ধার।গতকাল লোহাগাড়ার একটি ইউনিয়নে প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা।

মোটা দাগে বলতে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতিই ঘটছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.