চকরিয়ায় সংবাদ প্রকাশের জেরে ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে কোটি টাকার মামলা, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির নিন্দা
মো. সেলিম উদ্দিন খাঁন
কক্সবাজারের চকরিয়ায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়েরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি, চকরিয়া উপজেলা শাখা। একই সঙ্গে মামলাটি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সংগঠনের এক জরুরি সভা ইয়াস্মি রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় এক বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি আবুল মনসুর মো. মহসিন ও সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ বিন হোছাইন এ নিন্দা জানান।
মামলার আসামিরা হলেন—সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির প্রচার সম্পাদক ও দৈনিক বাংলাদেশের খবরের চকরিয়া-পেকুয়া প্রতিনিধি তৌহিদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক ও দৈনিক স্বাধীনমতের জেলা প্রতিনিধি এবং দৈনিক দেশবিদেশ পত্রিকার মাতামুহুরী প্রতিনিধি তানবীরুল ইসলাম এবং সহ-প্রচার সম্পাদক ও দৈনিক আলোকিত সকালের কক্সবাজার ব্যুরো এবং দৈনিক গণসংযোগের স্টাফ রিপোর্টার ইয়ার রহমান আনান।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ৭ সেপ্টেম্বর ‘জমি দখল ও হত্যার অভিযোগে মামলা, আদালতে মুচলেকা দিয়ে জামিন বিএনপি নেতা’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের জেরে জনৈক শাহেদুল মোস্তাফা সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।
সংগঠনের নেতারা বলেন, আদালতে দেওয়া মুচলেকার কপি ও আইনজীবীর বক্তব্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অংশ। এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চাপ সৃষ্টির শামিল।
বিবৃতিতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ১০ কোটি টাকার মানহানি মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলা হয়, সত্য ও তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিকদের হয়রানি বা চাপ প্রয়োগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি আবদুল মজিদ, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল সাঈদ সোহেল, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি চকরিয়ার সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক জুলফিকার আলী ভুট্টো, প্রচার সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, ক্রিড়া সম্পাদক তানবীরুল ইসলাম, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হোছাইন মোহাম্মদ সবুজ, সহ-তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক রিদুয়ানুল হক, সহ-দফতর সম্পাদক ফয়সাল আলম সাগর, সহ-প্রচার সম্পাদক ইয়ার রহমান আনান ও সহ মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক রিদুয়ানুল হক মজিদী প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।