হরিপুরে আশ্রয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি: ইউএনও’র শ্যালকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

 

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার ভাতুরিয়া রামপুর গ্রামে অসহায় গরীব মানুষদের আশ্রয়ণ প্রকল্পে সরকারি ঘর পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে আবুল কালাম আজাদ নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কিন্তু তালিকায় ঘর বঞ্চিত ভুক্তভোগীদের নাম না থাকায় ভুক্তভোগীরা আবুল কালাম আজাদকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। কিন্তু এই দুর্নীতির ঘটনা অন্য দিকে প্রবাহিত করার লক্ষে ইউএনও’র শ্যালক তানবীনের নাম জড়িয়ে একটি মোহল অপপ্রচার চালাচ্ছেন বলে তানবীন দাবি করেন। এ বিষয়ে হরিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল করিম বলেন,গ্রাম বাসী একজন প্রতারককে আটক করেছিল তার নামে মামলা হয়েছে। তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আমার শ্যালক তানবীনকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে যা সত্য নয়। এ বিষয় তানবীন বলেন,আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা আমার সেই অভিযুক্ত আসামি আজাদের সঙ্গে কোন সম্পর্ক নেই তাকে আমি চিনিনা। আমি কোন তাকে টাকা নিতে বলিনি। আমার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রীমহল অপপ্রচার চালাচ্ছে। সংবাদগুলো আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছে যা সত্য নয় মিথ্যা আমি এই সংবাদ গুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। জানা যায়, প্রধান মন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের আওতায় ঠাকুরগাঁও হরিপুর উপজেলায় মোট ৯৩৬ টি ঘর বরাদ্দ হয়েছে। ঘর প্রতি নির্মাণ খরচ নির্ধারণ হয়েছে ১ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা। নীতিমালা অনুযায়ী কোন ঠিকাদার ছাড়াই স্থানীয় ইউএনও নিজেই প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করে দেবেন। এরই মধ্যে ৫৩৬টি ঘর নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি ৪০০টি ঘর নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। ইউএনও আব্দুল করিম আরও বলেন, করোনার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শ্যালক তানবিন প্রকল্পের কাজ দেখাশোনা করছিলো। কোন প্রকার আর্থিক অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না আমার জানা মতে সে কোন আর্থিক লেনদেন করেননি। তবে অপরাধী কে হবে সেটি তদন্তের উপর নির্ভর করছে। এবিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.