সাতকানিয়া চূড়াঁমনির পাহাড়কাটা মাটি বিক্রি হয়ে যাচ্ছে বাঁশখালিতেও-তবুও টনক নড়ঁছেনা কর্তৃপক্ষের

সাতকানিয়ার এওচিয়া

 

সৈয়দ আককাস উদদীন

এওচিয়ার চূড়ামনি পাহাড়ের মাটি সাতকানিয়ার বিভিন্ন জায়গা ছাড়াও বিক্রি হচ্ছে বাঁশখালি উপজেলার গন্ডামারা ইউনিয়নেও।

সাতকানিয়ার এওচিয়া ইউনিয়নের চূড়ামনি ষ্টেশনের সামান্য পূর্বে সাতকানিয়া বাঁশখালি সড়কের উত্তর পার্শ্বে আব্দুল্লাহ খোলা নামক পাড়ার ভেতর দিয়ে ঢুকে পাহাড় কেটে সাবাঁড় করে দেয়া হচ্ছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের ইন্ধঁনে।

২১শে অক্টোবর( শুক্রবার) চট্টগ্রাম সংবাদের অনুসন্ধানী একটি টীম এওচিয়ার চূড়ামনির জামাল কোম্পানির ব্রিকফিল্ডের পূর্বে আব্দুল্লাহ খোলা নামক এলাকায় গিয়ে দীর্ঘ একমাস ধরে ময়ুর নামে স্থানীয় এক যুবক এই পাহাড়ও ফসলি জমি কাটছে বলে জানাযায়।

স্থানীয়রা জানান-এখানে ময়ুর দুজন তবে যিনি একমাস ধরে পাহাড় কাটছে তিনি আব্দুল্লাহ খোলার ময়ুর,সদ্য ইউপি সদস্য প্রার্থী ময়ুর নয়।

সরেজমিনে গিয়ে আরো দেখা যায়- যেখান থেকে মাটি কাটছে সে জায়গা অনুমান করলে আনুমানিক বুঝা যায় ইতিমধ্যে প্রায় ২০০০ (দুইহাজার)গাড়ী মাটি কেটে বিক্রি করছে আব্দুল্লাহ খোলার এই ময়ুর।

 

 

প্রত্যক্ষদর্শীরা এই টীমকে আরো বলেন-চূড়ামনির এই মাটি বাঁশখালির গন্ডামারা,সাতকানিয়া উপজেলার সোনাকানিয়া, বাংলাবাজার হয়ে সাতকানিয়া- বাঁশখালির প্রায় এলাকায় ডাম্পার যোগে বিক্রি হয় বলে জানান।

 

অপরদিকে আব্দুল্লাহ খোলার মাটি ব্যবসায়ি ছোট ময়ুরকে সাংবাদিক পরিচয়ে কল করা হলে তিনি বলেন-বদ্ধা আমি শহরে আপনি টেনশন করবেননা আপনি কেন আসছেন জানি,আপনার বকশিষ এখনি বিকাশে পাঠিয়ে দিচ্ছি এই বলে ফোন কেটে দেন।

 

এদিকে আব্দুল্লাহ খোলা নামক পাড়ায় যাওয়ার যে কাঁচা সড়কটি আছে-সেটির বুকে মাটিবাহী ডাম্পার চলতে চলতে প্রায় ৩ফুট নিচের দিকে ধাবিত হতেও দেখা যায়।

স্থানীয়রা এই টীমকে আরো জানান-এওচিয়ার মাটি কাটার বিভিন্ন স্পটে উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালালেও এই জায়গা ভেতরে হওয়ায় সাতকানিয়া উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালাতে পারেনি।

সেই সুবাদেই আব্দুল্লাহ খোলার ছোট ময়ূর এই পাহাড়ও ফসলি জমি কেটে রাতারাতি আঁঙ্গুল ফুলে কলা গাছ বনে গেলেন।

 

এদিকে এওচিয়ার চূড়াঁমনির ফরেষ্ট অফিসের কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন-আমি আজকেই ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নিব, এই বিষয়ে মোটেও ছাড় দেয়া হবেনা।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.