সাতকানিয়া(চট্টগ্রাম)প্রতিনিধিঃ
সাতকানিয়া উপজেলায় কেরানিহাটে পশ্চিম পাশে কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের সামনে মৌলানা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার নামে দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে বোকা বানিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার নামে আড়ালে বিভিন্ন বয়সী নারী রোগীদের কে যৌন মিলন কাজ চালিয়ে যাওয়ার এমন কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে পেইজবুকে। ভিডিও তে দেখা যায়, ফেব্রুয়ারি ২২ তারিখ এক নারী রোগী কে তার চেম্বারের পিছনের রুমে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করতেছে, ১৪ মার্চ এবং ২৪ মার্চ আরো দুইটি নারী রোগী কে শ্লীলতাহানি করতে দেখা গিয়েছে ভিডিও তে।
ঐ চিকিৎসক সাতকানিয়া উপেজেলার ঢেমশার ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের মৃত্যৃ নুরুজ্জামানের ছেলে অবিবাহিত মৌঃ আব্দুল মাবুদ।
সেই চিৎকিসা দিয়ে থাকেন, চর্ম যৌন জটিল ও কঠিন, নাক, কান, গলা, ঘাড়, মাথা ও যাবতীয় রোগের অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দিয়ে থাকেন। অথচ তার ডাক্তারি ডিগ্রীই নেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়া উপজেলার মধ্যে তার আরো কিছু চেম্বার রয়েছে।
কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের সামনে মৌলানা হোমিও হল নামে চেম্বার বসিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নিয়মিত রোগী দেখেন। তার কাছে নারী রোগী মানেই যৌনতা খুঁজে পাওয়ার মাধ্যম।
হোমিও চিকিৎসার বিভিন্ন ডিগ্রীর সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে মানুষকে বোকা বানিয়ে , দীর্ঘ দিন ধরে চিকিৎসার নামে এসব অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন ডাক্তার নামের ওই মাওলানা আব্দুল মাবুদ।
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, তারা অনেকেই আব্দুল মাবুদের প্রতারণার বিষয়টি জানতেন। কিন্তু ভয়ে মুখ খোলার সাহস পেতেন না। ভুয়া চিকিৎসক আব্দুল মাবুদ প্রাতিষ্ঠানিক কোন ডিগ্রি না থাকার পরও যৌন সমস্যা, সকল রোগ নিরাময়ের শতভাগ গ্যারান্টি দিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
ইতিমধ্যে ঢেমশায় তার বাড়ির পাশে পাড়ায়দেড় কোটি টাকার একটি বহুতল ভবনের বাড়ির কাজ নির্মাণাধীন
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় অনেকেই জানিয়েছেন ভুয়া ওষুধ দিয়ে তিনি লোক ঠকিয়ে প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করছেন। ওষুধ প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই তিনি ওষুধ তৈরি করে থাকেন। শুধু মাত্র ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্সের ওপর ভর করে চলছে চিকিৎসা।
স্থানীয় একব্যক্তি বলেন, তার দোকানে সিসিটিভি লাগিয়ে বিভিন্ন বয়সী নারীদের সাথে
খারাপ কাজ করে, পরে তিনি ঐ ভিডিও গুলো ঐ নারীদের দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় করেন।
চিকিৎসক আব্দুল মাবুদ বলেন, সেই অস্বীকার বলেন সব কিছু ভুয়া ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।
এই বিষয় সাতকানিয়া থানার ওসি বলেন, আমার কাছে এই বিষয়ে কোন অভিযোগ আসেনি, তবে আমি পেইজবুকে দেখেছি। আমাদের কাছে কোন অভিযোগ আসলে আইনগত ব্যবস্থা নিব।