লামার টিআই আশিক ও টিএসআই খাইরুলের চাঁদাবাজিতে ফুঁসে ওঠছে চালকরা

বান্দরবান জেলায় পুরো ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বদনাম রটাচ্ছে তারা-

সৈয়দ আককাস উদদীন
বান্দরবান জেলার লামার টিআই আশিক ও টিএসআই খাইরুলকে মাসিক মাসোহারা বন্ধ করায়-লামার চালকদেরকে নিয়মবহির্ভূত ভাবে দেয়া হচ্ছে মামলা।
কাগজপত্র ঠিক থাকার পরও চালকদের বৈধ গাড়ী বিভিন্ন অজুহাতে আটকে দেয়ার অভিযোগ ওঠেছে এই দুজনের বিরুদ্ধে। ফলে লামায় চলছে ব্যাপক উত্তেজনা।
আজ ১৫ই মে  শুক্রবার এমন একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন  ভুক্তভোগী ট্রাক ড্রাইভার আকবর।
ফুঁসে ওঠা চালকরা
জানা যায়, গত ১২ই মে লামা উপজেলার সরই ইউনিয়নের কেয়াজুপাড়া বাজার ও পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ ও স্থানীয় সিএনজি সমিতি ও বাইক চালক সমিতির মধ্যে এমন  উত্তেজনায় সারাদিন ওই উপজেলার প্রধান সড়কে যান চলাচল ছিল বন্ধ।
জানা যায়, টিআই আশিক গত ২০দিন আগে লামা উপজেলায়  যোগদান করেন, এবং টিএসআই খাইরুল আগে থেকেই ওই স্টেশনে কর্মরত।
চালক সমিতি-লামা  ট্টাফিক বিভাগকে গতমাসের মাসিক চাঁদা পরিশোধও করেছেন,আগের টিআই ওই চাঁদা নিয়ে বদলী হয়ে চলে যায়।
ফলে টিএসআই খাইরুল ও নতুন আসা টিআই আশিক উক্ত টাকার ভাগ না পেলে সমিতিকে বেশকয়েকবার তাগাদা প্রদান করেন।
কিন্তু লামার সিএনজি চালক সমিতি গতমাসের চাঁদা পরিশোধ করতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।
এই অপারগতার কারণেই মূলত উত্তাপ ছড়াচ্ছে লামা ট্রাফিক বিভাগ ও চালক সমিতির মাঝে।
এদিকে লামার টিআই আশিককে প্রতিবেদক একাধিক কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
অপরদিকে লামাতে দায়িত্বরত টিএসআই খাইরুল বলেন,স্যার অচেনা ফোন রিসিভ করেননা।আর আমরা সাংবাদিক বান্ধব মানুষ,স্যারকে বলতেছি আপনার কল রিসিভ করার জন্য। এই বিষয়ে আপডেট নেয়ার জন্য একদিন পর টিএসআই খাইরুলকে কল করা হলে তিনিও পরে কল রিসিভ করেননি।
এদিকে খায়রুলের চাঁদাবাজির কারণে চালকরা গাড়ীর দৈনিক ইনকামও মালিককে প্রদান করতে পারছেননা বলে  অভিযোগ করেছেন।
এদিকে লামা উপজেলার স্থানীয় এক ড্রাইভার চট্টগ্রাম সংবাদ কে জানিয়েছেন গত ১০ই মে আকবর নামের এক ট্রাক চালক থেকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহন করেন টিআই আশিক।এবং তারা আরো বলেন,  শহর এলাকায় যানজট নিরসন না করে গ্রামে গ্রামে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে মামলা দিচ্ছে।
মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.