ঈদগাঁওতে চলাচল সড়ক এখন ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রনে। এই নিয়ে সাধারণ পথচারীদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। জানা যায়, কক্সবাজারের উপশহর খ্যাত বৃহতম বাণিজ্যিক এলাকা ঈদগাঁও বাজারে বর্তমান সময়ে তরকারী ও মাছ ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত বাজার থাকা সত্বেও যাতায়াতের প্রধান ডিসি সড়কের পাশ ঘেঁষে হরদম বিক্রি করছে তরিতরকারী। এমনকি সড়ক যেন মৌসুমী ব্যবসায়ীদের দখলে বললে চলে। ঈদগাঁওর ডিসি সড়কে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে প্রায়শ। এসব দেখার যেন কেউ নেই। প্রধান চলাচল সড়ক দখল করে বৃহত্তর ঈদগাঁওর পাঁচ ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চল থেকে তরকারী নিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা রাস্তার দু’পাশ জুড়ে তরকারী ক্রয়-বিক্রয় করছে। এতে বাজারে আসা লোকজন চলাচলের ক্ষেত্রে চরম দূর্ভোগে পড়েছে। পাশাপাশি ছোট বড় যানবাহন চলাচলে দারুন ভাবে হিমশিম খাচ্ছে। ঈদগাঁও স্টেশনের জাগির পাড়া সড়ক পয়েন্ট এলাকায় মুদির দোকানের মালামাল মহাসড়কের সন্নিকটে। যাতে করে পথচারীরা চলাচল করছে ঐ মালামালের মাঝ অংশে। ১ অক্টোবর বিকেলে এমনি দৃশ্য চোখে পড়ে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নীরব দর্শকের ভূমিকায় রয়েছে। নেই অভিযান। এমন অবস্থার কারনে একদিকে চলাচলের রাস্তা সংকীর্ণ, অন্যদিকে রাস্তার পার্শ্বে মৌসুমী ব্যবসায়ী। দুই সমস্যা নিয়ে বাজারের লোকজন প্রতিনিয়ত চলাচলের ক্ষেত্রে দূর্ভোগ আর দূর্গতিতে পড়েছে। এছাড়া ঈদগাঁও, ইসলামপুর, ইসলামাবাদ, পোকখালী, জালালাবাদ ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী ঈদগড়, বাইশারী, রশিদনগর, ভারুয়াখালী, খুটাখালীর প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের কৃষকদের ফলানো শাকসবজি বিক্রয়ের লক্ষ্যে ঈদগাঁওতে এসে থাকে। অথচ বাজারে নির্দিষ্ট তরকারী বাজার থাকা সত্বেও বাজারের যাতায়াত ডিসি সড়কের দু’পার্শ্বে সবজি বিক্রি করতে দেখা যায়। যাতে করে জনদূর্ভোগ প্রতিক্ষনে প্রতিমুহুর্তে লেগে থাকে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কজন পথচারী জানান, ঈদগাঁও বাজার, স্টেশনসহ প্রধান সড়কের দুই পাশ এখন ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রনে। কোন প্রকার নিয়ম ও শৃংখলা নেই। বাজারে প্রতিনিয়ত হাজার হাজার মানুষ নানা ব্যবসায়ীক কাজকর্মে ছুটে আসে। যানজট মুক্ত রাখতে প্রধান ডিসি সড়কের যত্রতত্রে ছড়িয়ে ছিড়িয়ে থাকা মৌসুমী ব্যবসায়ীদের অন্যত্রে সরিয়ে নেওয়ার দাবী। নেই পাকিং ব্যবস্থা। ঈদগাঁও বাজার ব্যবসায়ী পরিচালনা পরিষদের সভাপতির ফোনে সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।