গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অসাংবিধানিক নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কেন অবৈধ নয়, জানতে চেয়েছেন আদালত।
গণভোট অধ্যাদেশ ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ কেন অসাংবিধানিক নয় জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। পাশাপাশি সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ কেন অবৈধ নয়, জানতে চেয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’–এর কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে এ সংক্রান্ত রিট করেন। ওই রিটের শুনানি হয় আজ।
শুনানিতে রিট পক্ষের আইনজীবী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির এমন আদেশ জারির এখতিয়ার নেই। এর ফলে গণভোট ও সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথেরও কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
তবে বিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, গণঅভ্যুত্থানের চাহিদা অনুযায়ী দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ ও গণভোট হয়েছে। সে অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি আদেশ জারি করেন। তাই আদালতের মাধ্যমে এটি অবৈধ ঘোষণার কোনো সুযোগ নেই। গণভোটের আইনি ভিত্তি চ্যালেঞ্জ করলে অন্তর্বর্তী সরকারের সব কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন উঠবে বলে মন্তব্য করেন তারা।
এদিকে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে দাবি করে রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার শপথ নেওয়াকে অবৈধ ঘোষণা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছেন আইনজীবী শাহরিয়ার কবির। রিটকারীর দাবি মালয়েশিয়াসহ দুটি দেশে তার নাগরিকত্ব রয়েছে। এ নিয়ে আজ আদালতে শুনানির কথা রয়েছে।
ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পরে ৮ আগস্ট দায়িত্ব নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। গত বছরের ১৭ অক্টোবর ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষরিত হয়।