চরতী-খোদার হাট-মৌলভীদোকান-বাজালিয়া সড়কের বেহাল অবস্থা

সাতকানিয়া প্রতিনিধি:  সাতকানিয়া উপজেলার চরতী খোদার হাট মৌলভী দোকান বাজালিয়া নয়াহাট সড়কের ধর্মপুর চাদেঁর পাড়ায় রাস্তার বেহাল অবস্থা হয়ে দাাড়িঁয়েছে। চাদেঁর পাড়া দক্ষিণ জামে মসজিদ থেকে পূর্ব অংশের রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। বর্ষা মৌসুম ছাড়া শুষ্ক মৌসুমে পথচারীরা হাটতে পারে না। এক পসলা বৃষ্টি পড়তে না পড়তে  ওই স্থানে কোমর পরিমাণ পানি উঠে যায়। এছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে রাস্তার ্এপাড় থেকে ওই পাড়ে পানি চলাচল করে। পানি মাড়িয়ে এলাকার মানুষকে গন্তব্য স্থানে যেতে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এ অবস্থা চললে ও দেখার কেউ নেই। এতে জন দুর্ভোগ চরমে পৌছেঁছে। রাস্তার পাশে যে পানি নিষ্কাশনের নালা রয়েছে তাও কালে বির্বতনে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। এই সড়কটি বান্দরবান ও কক্্রবাজারের বিকল্প সড়ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের প্রতি কারো নজর নেই। স্থানীয় লোকজন ব্যতীত এ সড়কে প্রতিদিন হাজার হাজার লোক যাতায়াত করে। চলে যানবাহন। দিনে যেনতেন হলেই সন্ধ্যা নামলে  আর যাওয়া যায় না। এরফলে রাতের অন্ধকারে পথচারীরা হুঁচোট খেয়ে পড়ে হাত পা ভেঙ্গে ফেলছে বলে জানা গেছে। পরিধানের কাপড়ের কি অবস্থা হয় তা আর বলা অপেক্ষা রাখে না। স্থানীয় লোককে সন্ধ্যার পর রাস্তা দিয়ে যেতে হাতে মোমবাতি নতুবা টর্চ লাইট নিতে হয়। এক সময়  এটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের অধীনে ছিল। এখন এ রাস্তার দেখভাল করার দায়িত্ব পেয়েছে স্থানীয়  সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি)। জানা যায় দীর্ঘদিন যাবৎ সড়কের করুণ অবস্থা হলে সংশ্লিষ্ট বিভাগের দায়িত্ব আছে বলে অবস্থা দৃষ্টিতে মনে হয় না। এলাকার মেহনতি মানুষ তাদের দুঃখের কথা জনপ্রতিনিধিদের বললে তারা বলেন এটা আমাদের দায়িত্ব নয়। এটা সিএমবি’র দায়িত্ব। জনপ্রতিনিধি বটে! সিএমবি তো এখন নেই। তাছাড়া সকাল বিকাল অনেক নেতা এ ভাঙ্গা রাস্তা মাড়িয়ে এদিক সেদিক যায়। একটি জনবহুল রাস্তা খানাখন্দে পরিণত হয়ে দীর্ঘ যাবৎ সংস্কারের প্রহর গুনছে। উল্লেখ্য পুরুষ’রা কোমর বেধে পানি ডিঙ্গিয়ে কোন রকম পার হলে ও মহিলাদের কাহিল অবস্থা হয়ে দাড়িঁয়েছে। রাস্তাটি মেরামতের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম চৌধুরীর হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.